1. hasanchy52@gmail.com : admin :
  2. amarnews16@gmail.com : Akram Hossain : Akram Hossain
মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনায় ১০ লাখ মানুষের সমাগম হবে: মাওলানা মাসঊদ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৮
  • ১২৭৩ বার দেখা হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা প্রদান উপলক্ষে হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বাধীন আল-হাইয়াতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ আয়োজিত শোকরানা মাহফিলে দশ লাখের বেশি মানুষ যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। শনিবার (৩ অক্টোবর) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাহফিলের প্রস্তুতি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
আগামীকাল রবিবার ৪ নভেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কওমি মাদ্রসার জন্য নজীরবিহীন একটি কাজ করেছেন। যা ইতোপূর্বে কেউই করেনি। আমরা তাকে শুকরিয়া জানাতেই একত্র হবো।’
গত ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ‘কওমি মাদ্রাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিসের (তাকমীল) সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান আইন, ২০১৮’ পাস করা হয়।

নির্বাচনের আগে এমন একটি সমাবেশ কোনও প্রভাব ফেলবে কিনা জানতে চাইলে মাওলানা মাসঊদ বলেন, ‘এটি নির্বাচনি সমাবেশ নয়। আহমদ শফী শোকরানা মাহফিলে উপস্থিত থাকবেন। তিনি নিজেই তো প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দিয়েছেন। এ মাহফিলের সভাপতিত্বও করবেন তিনি। আমরা দোয়া করছি, তাকে আল্লাহ তায়ালা সুস্থ রাখুন।’
হেফাজতে ইসলাম একসময় সরকারের বিরুদ্ধে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নিয়েছিল, এখন পক্ষে চলে এলো কীভাবে? এমন এক প্রশ্নের জবাবে মাওলানা মাসঊদ বলেন, ‘হেফাজতে ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে ছিল না। তারা শাপলা চত্বরে তাদের দাবি সরকারের কাছে পেশ করেছিল। আর এখন তো অনেক বড় একটি কাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করে দিয়েছেন। কওমি মাদ্রসার স্বীকৃতি প্রদান। আইন পাস করানো ছোট কোনও বিষয় নয়। এটা নজীরবিহীন।’
সমাবেশে দাবি উত্থাপন প্রসঙ্গে মাওলানা মাসঊদ বলেন, ‘সেরকম কোনও বিষয়ে সম্মিলিত পরামর্শ হয়নি। তবে জামায়াত নিষিদ্ধকরণ, কাদিয়ানিদের মিথ্যাচার প্রচারের বিরুদ্ধে আলোচনা হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়েও ভালো ভূমিকা রাখতে পারবেন।’
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সহসভাপতি মাওলানা ইয়াহয়া মাহমুদ, মহাসচিব মুফতি মুহাম্মদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইমদাদুল্লাহ কাসেমী, বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার মহাসচিব মাওলানা আবদুর রহীম কাসেমী, অভিভাবক পরিষদ সদস্য মাওলানা আইয়ুব আনসারী, ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা মাসউদুল কাদির প্রমুখ।

শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2014 Amar News
Site Customized By Hasan Chowdhury