1. hasanchy52@gmail.com : admin :
  2. amarnews16@gmail.com : Akram Hossain : Akram Hossain
শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:২৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ

মানিকগঞ্জে বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন দৌড়ে আওয়ামীলীগ নেতা আসমত আলী এগিয়ে

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৭৭৯ বার দেখা হয়েছে

এস এম আকরাম হোসেন :
মানিকগঞ্জে আসন্ন সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকে তৃনমুলের আওয়ামীলীগ নেতা মো: আসমত আলী এগিয়ে রয়েছে।
তিনি দক্ষিণ হাট বড়িয়াল (অরঙ্গবাদ) গ্রামের মৃত জমির উদ্দিন ও মৃত হাজিরনের ছেলে। তিনি এলাকায় একজন সাদা মনের জনদরদী মানুষ হিসেবে পরিচিত রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি রাজনৈতিক জীবনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ১৯৭৪ সালে সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সদস্যপদ লাভ করে। এরপর আওয়ামীলীগের বেতিলা-মিতরা ইউনিয়ন শাখার (১৯৭৮-১৯৮৩) সাংগঠনিক সম্পাদক, (১৯৮৩-১৯৯৩) সহ সভাপতি, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা শাখার (১৯৯৩-১৯৯৯) সাংগঠনিক সম্পাদক, (১৯৯৯-২০১৫) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও সাটুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটো, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বিজ্ঞ পিপি বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, আওয়ামীলীগের সদর উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি মরহুম জালাল উদ্দিন আহম্মেদ এদের পৃষ্ঠপোষকতায়
রাজনীতি করে আসছেন। এছাড়া (১৯৮৩-১৯৯২) সালে পর পর দুই বার সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বিপুল ভোটে মেম্বার নির্বাচিত হন। জনগনের ঐকান্তিক অনুরোধ ও বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নকে একটি আর্দশ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ার লক্ষ্যে (১৯৯২-২০০৩) সাল পরপর দুই বার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে জনগনের সেবা ও দেশ গঠনে ভূমিকা রেখে চলছেন।

আসমত আলী জানান, স্বৈরাচার বিএনপি জোট সরকার ২০০৩ সালে ইউনিয়ন পরিষদের সাধারন নির্বাচনে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জনগনের রায়কে উপেক্ষা করে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে দেয়নি। ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ছিলাম। কিন্তু বিএনপি হতে নবাগত জনবিরোধী হাইব্রিড নেতা নাসির উদ্দিন আওয়ামীলীগে যোগদান করেন এবং নৌকা প্রতীকে নোমেনেশন পান। জনগনের মতামত ও ইচ্ছার বিরুদ্ধে দলের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানিয়ে উধর্বন নেতাদের সিদ্ধান্ত শ্রদ্ধা জানিয়ে উধর্বন নেতাদের সিদ্ধান্তে আমি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করি।
তিনি ইউনিয়নে বিভিন্ন সময়ে গরীব-দুখী, অসহায় মানুষকে ব্যক্তিগত সহযোগিতা ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান দিয়ে আসছেন বলে জানা গেছে।

এছাড়া তিনি নবারুন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯২ সাল হতে বিভিন্ন মেয়াদে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিতে দাতা সদস্য, অভিভাবক সদস্য, বিদ্যুতসাহি সদস্য, সহ সভাপতি পদ সহ বর্তমানে সভাপতি হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় কর্মসূচিতে প্রতিটি কর্মকান্ডে যেমন-মিছিল-মিটিং, হরতাল-অবরোধ, প্রতিকী কর্মসূচী সহ সকল কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের পতন ও গণতন্ত্র মুক্তির লক্ষ্যে দলীয় সিদ্ধান্তে সক্রিয় অংশগ্রহন করেন বলে জানান তিনি। এসময় বিভিন্ন মামলা-হামলায় তাকে আসামী করা সহ নানাভাবে হয়ানি করা হয়। তত্বাবধায়ক সরকার গঠন আন্দোলনে ১৯৯৬ সালে সক্রিয় অংশগ্রহন করি এবং হরতাল অবরোধ চলাকালে রাজধানী ঢাকার কলেজগেটে পুলিশের গুলিতে রক্তাক্ত হয়ে হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকেন।

তিনি ২০২১ সালের আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে করে উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে তরান্বিত করতে এবং “মাদার অব হিউম্যানেটি ডটার অব পীস” জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা গণতন্ত্রের মানুষ কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2014 Amar News
Site Customized By Hasan Chowdhury