1. hasanchy52@gmail.com : admin :
  2. amarnews16@gmail.com : Akram Hossain : Akram Hossain
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সাটুরিয়ায় ভোক্তা অধিকারের অভিযান, মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য জব্দ মোহাম্মদ মহসিন ছিলেন একজন আলোকিত মানুষ তুচ্ছ ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের কোপের শিকার যুবক মানিকগঞ্জে শুরু হয়েছে বিভাগীয় ক্রিকেট আম্পায়ারদের দুদিনব্যাপী রিফ্রেসার্স কোর্স সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি ব্যয় বিদ্যুৎ খাতে মানিকগঞ্জের মোঃ শাহজাহান আলী সাজু বাংলাদেশ জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে বড় অন্তরায় মাদক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে আগামী তিন দিনে বৃষ্টির পূর্বাভাস মানিকগঞ্জে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১০ গ্রাম হেরোইন ও মাদক বিক্রয়ের নগদ=৩,০০০টাকা সহ ৫জন মাদক কারবারী গ্রেফতার

চায়ের সঙ্গে বিস্কুট: অজান্তেই শরীরে বাসা বাঁধছে রোগ

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২২
  • ৭৩ বার দেখা হয়েছে

আমার নিউজ ডেক্স,

আমরা প্রায় সবাই চা পান করি। অনেকের সকাল শুরু হয় গরম চায়ের পেয়ালা হাতে নিয়ে। চায়ের সঙ্গে বিস্কুট বাড়িয়ে দেয় নাস্তার স্বাদ। কিন্তু জানেন কি- এই অভ্যাস কতটা ক্ষতিকর? ছোট এই অভ্যাস মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খেলে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ওজনাধিক্য, পেটের নানাবিধ সমস্যা, হজমের সমস্যা, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে। এ প্রসঙ্গে রাইজিংবিডির সঙ্গে কথা বলেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টিবিদ জাহানারা আক্তার সুমি।

সুমি জানান, দুধ চা এবং বিস্কুট একসঙ্গে খেলে শরীরে ক্যালরির পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যায় যা আমাদের প্রতিদিনের ক্যালরির চাহিদার সঙ্গে যোগ করা হলে দেখা যাবে প্রতিদিন যতটুকু ক্যালরির প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক বেশি ক্যালরি গ্রহণ করে ফেলছি। এটি ওজন বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

তিনি আরও বলেন, বিস্কুট তৈরির মূল উপকরণ ময়দা, চিনি, দুধ এবং তেল। সঙ্গে কিছু প্রিজারবেটিভ ও ফ্লেভার যোগ করা হয়। বিস্কুটে সাধারণত রিফাইন্ড ময়দা ব্যবহার করা হয় যাতে ফাইবার থাকে না। রিফাইন্ড করার সময় ময়দার ফাইবারের সঙ্গে শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভিটামিন ও মিনারেল নষ্ট হয়। যেগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। চিনির গ্লুকোজ পরিপাকতন্ত্রের জন্যও ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বিস্কুট তৈরিতে যে তেল ব্যবহার করা হয় সেটা স্যাচুরেটেড ফ্যাট অথবা ট্রান্সফ্যট যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। রক্তে কোলেস্টেরল, এলডিএল-এর পরিমাণও বাড়ায়। ময়দায় রয়েছে গ্লুটোন যা অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে হজম শক্তি নষ্ট হতে পারে। আবার কিছু বিস্কুট লবণাক্ত। এতে প্রচুর সোডিয়াম ব্যবহার করা হয় যা হার্টের অসুস্থতার জন্য দায়ী। এ ছাড়াও প্রিজারবেটিভ বা আর্টিফিসিয়াল ফ্লেবার মানব শরীরের জন্য হুমকির কারণ হতে পারে বলে জানান জাহানারা আক্তার।

চায়ের সঙ্গে বিস্কুট না-খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে এই পুষ্টিবিদ বলেন, যারা দিনে কয়েকবার চা দিয়ে বিস্কুট খাচ্ছেন তারা বিস্কুটের পরিবর্তে বাদাম, তিল, তিসি এ ধরনের মিক্সড শুকনা বীজ জাতীয় খাবার খেতে পারেন। আর যদি খেতেই হয় তবে অবশ্যই কেনার সময় বিস্কুট তৈরির উপাদানগুলো দেখে নিতে হবে।

শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2014 Amar News
Site Customized By Hasan Chowdhury