1. hasanchy52@gmail.com : admin :
  2. amarnews16@gmail.com : Akram Hossain : Akram Hossain
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সাটুরিয়ায় ভোক্তা অধিকারের অভিযান, মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য জব্দ মোহাম্মদ মহসিন ছিলেন একজন আলোকিত মানুষ তুচ্ছ ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের কোপের শিকার যুবক মানিকগঞ্জে শুরু হয়েছে বিভাগীয় ক্রিকেট আম্পায়ারদের দুদিনব্যাপী রিফ্রেসার্স কোর্স সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি ব্যয় বিদ্যুৎ খাতে মানিকগঞ্জের মোঃ শাহজাহান আলী সাজু বাংলাদেশ জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত বিশ্ব পর্যটন দিবস আজ ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে বড় অন্তরায় মাদক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে আগামী তিন দিনে বৃষ্টির পূর্বাভাস মানিকগঞ্জে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১০ গ্রাম হেরোইন ও মাদক বিক্রয়ের নগদ=৩,০০০টাকা সহ ৫জন মাদক কারবারী গ্রেফতার

অস্থির কাগজের বাজার

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২২
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বেড়েছে কাগজের দাম। এতে বেকায়দায় পড়েছে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন শিল্পে দরকারি কার্টন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে দেশের বাজারেও বাড়ছে কাগজের দাম। দেশে তৈরি কাগজের প্রায় সব ধরনের কাঁচামাল আমদানি করতে হয়। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে জাহাজ ভাড়া বেড়েছে প্রায় তিনগুণ। কেমিক্যালের দামও বেড়েছে। নতুন মাত্রা যোগ করেছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। দাম বাড়ার কারণে কমেছে এলসির পরিমাণ। এতে সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দামে এর প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি বিদেশি কাগজের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশি কাগজের চাহিদা বেড়েছে।

রাজধানীর নীলক্ষেতের কাগজ ব্যবসায়ী সাজিদ এহসান  বলেন, আমার আগে কাগজের রিম বিক্রি করছি ২২০ টাকায়, এখন তা ৩৯০ টাকা। কলম থেকে শুরু করে সব স্টেশনারি পণ্যের দাম এখন দ্বিগুণ। প্রায় প্রতিদিনই কাগজের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে আমাদের ব্যবসায় টিকিয়ে রাখাই কষ্ট হয়ে পড়ছে। দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতন ও আনুষঙ্গিক খরচ দিয়ে পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকাই বড় কষ্টের ব্যাপার।

নীলক্ষেতের বই ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান খান  বলেন, বই ব্যবসার অবস্থা এখন খারাপ। আমি আজ সারাদিন ১০০০ টাকার বই বিক্রয় করতে পেরেছি। ক্রেতা কম। এর অন্যতম কারণ হলো বই মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে যে বই বিক্রি করতাম ২০০ টাকায়, তা এখন ৩৫০ থেকে ৪০০টাকায় বিক্রি করতে হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রাফিজ রায়হান বলেন, বাড়ি থেকে মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পাঠায়। যা দিয়ে চলা খুব কঠিন। আমি বিসিএস প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমার গণিতসহ বিভিন্ন বিষয়ের জন্য প্রচুর কাগজের প্রয়োজন হয়। তবে এখন বাজারে যা অবস্থা কাগজ কেনা কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

কাগজের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মামুনুর রশিদ  বলেন, আমারা বেশিরভাগই মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। বর্তমানে যে হারে কাগজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে আমাদের লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম। প্রয়োজনীয় বই ও খাতা ক্রয় করার ক্ষমতা এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।

পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের মাইমুনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্রেসের মালিক শফিকুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ করে সব ধরনের কাগজের এই মূল্য বৃদ্ধিতে বেশি অসুবিধায় পড়েছি আমরা। বছরের শেষ ভাগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবগুলো স্তরে বার্ষিক পরীক্ষা ও নতুন বছরের বই ছাপা থাকায় এই সময়ে কাগজের চাহিদা বেশি থাকে। ‘কাগজ ও কালির দাম বেড়ে যাওয়ায় অর্ডার নেওয়া মাল ডেলিভারি দিতে লোকসান গুণতে হচ্ছে। করোনায় বড় লোকসান কাটিয়ে যখন ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই চলছে। এখন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ব্যবসা গুটিয়ে পথে বসতে হবে। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় কাগজ শিল্প গভীর সংকটে পড়বে।

শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2014 Amar News
Site Customized By Hasan Chowdhury