1. hasanchy52@gmail.com : admin :
  2. amarnews16@gmail.com : Akram Hossain : Akram Hossain
রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১:৫৮ অপরাহ্ন

মাথায় মল ঢেলে মাদ্রাসা সুপারকে লাঞ্ছনা, আটক ২

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ মে, ২০১৮
  • ১০২৯ বার দেখা হয়েছে

বরিশাল প্রতিনিধি : মাদ্রাসার জমি দখলে বাধা দেয়ায় এবং পরিচালনা কমিটিতে জায়গা না পেয়ে বাকেরগঞ্জে এক মাদ্রাসা সুপারকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আবু হানিফ (৫০) নামে কাঁঠালিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ওই সুপারের মাথায় মল ঢেলে দিয়ে তা ভিডিও করা হয়।

মিনজু ও বাদল নামে এ ঘটনায় জড়িত ২ জনকে রোববার (১৩ মে) দিবাগত রাতে বাকেরগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারে রাতভর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ।

গ্রেফতারদের মধ্যে মিনজু (৪৫) বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঠালিয়া গ্রামের মৃত মো. হাসেম মুসল্লির ছেলে এবং দায়েরকৃত মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি। অপরদিকে বেল্লাল (২৫) বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নূর মোহাম্মদের ছেলে। তাকে ফেসবুকে প্রকাশিত লাঞ্ছনারর ভিডিও ফুটেজ দেখে গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার (১১ মে) বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নে কাঠালিয়া গ্রামের কাঠালিয়া ইসলামিয়া দারুচ্ছুন্নাৎ দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সুপার মাও. মো. আবু হানিফকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছনা করে তার ভিডিও ধারণ করা হয়।

ঘটনার পর লাঞ্ছনার শিকার মাদ্রাসার সুপার ও তার পরিবার লোকলজ্জায় বিষয়টি গোপন রাখতে চায়। তবে রোববার (১৩ মে) লাঞ্ছনার ঘটনার একটি ভিডিও ধারণকারীদের মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।

এরপর মাদ্রাসা সুপার মাও. মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে নিজের ছোটভাই জাকারিয়া হোসেন জাকিরসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরো ৫/৬ জনকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার বাদী  বলেন, কাঁঠালিয়া গ্রামে দারুল উলুম দীনিয়া আরাবিয়া কমপ্লেক্স ও এতিমখানা নির্মাণের জন্য ২০০৯ সালে জায়গা কেনা হয়। কিছু ব্যক্তি ওই জায়গা দখল করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার পাঁয়তারা করলে ২০১৪ সালে একটি মামলা হয়।

অপরদিকে কাঁঠালিয়া ইসলামিয়া দারুচ্ছুন্নাৎ দাখিল মাদ্রাসায় কমিটির সভাপতি হিসেবে চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি অ্যাডভোকেট এইচএম মজিবুর রহমান নির্বাচিত হন। কিন্তু লাঞ্ছনাকারীদের মধ্যে থাকা খন্দকার মো. জাহাঙ্গীর আলম সভাপতি হতে চেয়েছিলেন।

মামলার বরাত দিয়ে মাদ্রাসা সুপার আবু হানিফ বলেন, এসব কারণে লাঞ্ছনাকারীরা জোটবদ্ধ হয়ে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয় এবং বিভিন্ন সময়ে ৫ লাখ

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2014 Amar News
Site Customized By Hasan Chowdhury