1. hasanchy52@gmail.com : admin :
  2. amarnews16@gmail.com : Akram Hossain : Akram Hossain
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মানিকগঞ্জে সেলফী পরিবহনের ধাক্কায় এক জনের মৃত্যু মানিকগঞ্জে  তিতুমীর একাডেমির সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান ও অভিভাবক সমাবেশ মানিকগঞ্জে মহিলা কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হরিরামপুরে সম্মিলিত প্রয়াসের বৃক্ষ রোপণ মানিকগঞ্জের ১৫জন গুনী শিল্পীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান মানিকগঞ্জে ছাত্রলীগেরহস্তক্ষেপে কোটা আন্দোলনের মানববন্ধন পন্ড মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী মানিকগঞ্জে পবিত্র আশুরা উদযাপন উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং সিংগাইরে আ‘লীগ নেতা ভিপি শহিদ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে মানিকগঞ্জে জেলা যুবদলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন মিছিল

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ভাঙ্গনরোধে পদ্মা পাড়ে মুক্ত আলোচনা

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৯৯ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

মানিকগঞ্জে হরিরামপুর উপজেলায় পদ্মা নদীর ভাঙ্গনরোধে মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলার আন্ধারমানিক এলাকায় পদ্মা নদীর পাড়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইন উদ্দিন,হরিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান,পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা,ভাঙ্গন কবলিত বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় চেয়ারম্যানরা জানান, হরিরামপুর উপজেলায় প্রায় প্রতিটি ইউনিয়ন পদ্মা নদীর ভাঙ্গন কবলিত। কিছু এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মিত হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এ উপজেলার অনেক পরিবার ৭ থেকে ৮ বার পদ্মা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়েছেন। তাদের এখন কোথাও মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। আন্ধারমানিক এলাকাসহ এ নদীর মাঝখানে বিভিন্ন জায়গায় জেগে উঠা চর ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে অপসারন করা গেলে কিছুটা হলেও নদী ভাঙ্গন রোধ করা যাবে।

হরিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান বলেন,পদ্মা নদীতে ভাঙ্গন শুরু হলে তড়িঘড়ি করে কোন রকম দায়সারাভাবে জিও ব্যাগ ফেলে কাজ শেষ করা হয়। বহুবার বিভিন্ন ফোরামে ভাঙ্গনরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহনের কথা বললেও কেউ কর্ণপাত করেনি। পদ্মার পাড় থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে উপজেলা পরিষদ,থানা,স্কুল,বাজারসহ অসংখ্য স্থাপনা। এখনই এ এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মিত না হলে এক সময় এ উপজেলা বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

নির্বাহী প্রকৌশলী মো.মাইন উদ্দিন জানান, চলতি বছরের নদীভাঙ্গন রোধে জেলায় ৫ টি উপজেলার ২৫ টি জায়গায় জিওব্যাগ ফেলা হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ন বাজার,স্কুল কলেজ,মসজিদ মাদ্রাসাসহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রক্ষা করতে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে এসব জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। আগামীতে পদ্মা নদীসহ অন্যান্য নদীর ভাঙ্গনরোধে প্রকল্প  হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে নদী ভাঙ্গনরোধ করা যাবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2014 Amar News
Site Customized By Hasan Chowdhury